লস ছাড়া ব্যবসা

ঘরোয়া ব্যবসা ব্যবসা ছোট ব্যবসা টাকা ছাড়া ব্যবসা ব্যবসার আইডিয়া অনলাইনে ব্যবসা পার্ট টাইম জব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গ্রামে লাভজনক ব্যবসা সাপ্লাই ব্যবসা লস ছাড়া ব্যবসা দৈনিক আয়ের ব্যবসা ছাত্রদের জন্য ব্যবসা কাপড়ের ব্যবসা ব্যবসায় উদ্যোগ

লস ছাড়া ব্যবসা

এখনকার সময় সবাই চাচ্ছে পড়ালেখা শেষ করার পর একটি চাকরি করতে । কিন্তু চাকরি করার জন্য তারা অনেক টাইম কিন্তু ব্যয় করে ফেলে । সেই টাইমটা নষ্ট না করে আপনি যদি একজন উদ্যোগী হয়ে একটি ব্যবসা শুরু করেন তাহলে কিন্তু খুব সহজেই সে ব্যবসা থেকে আপনি রেভিনিউ পেতে পারেন । জীবনে সফল হওয়ার জন্য আপনার কিন্তু অবশ্যই লস ছাড়া ব্যবসা করা অত্যন্ত প্রয়োজন । ব্যবসার মাধ্যমে কিন্তু আপনি আপনার জীবনে সফলতার উচ্চতম স্থানে যেতে পারবেন ।

এখনকার সময়ে যে কোন ব্যবসায় ধরেন না কেন সকল ব্যবসার মধ্যে ঝুঁকি রয়েছে । এর পরও কিন্তু আমরা আপনাদেরকে আজকে এমন কয়েকটি ব্যবসা কথা বলব যেগুলোর মধ্যে বলতে পারেন কোন ধরনের যুক্তি নেই । আপনার অর্থ লস হওয়ার মতো কোনো ধরনের সম্ভাবনা সেই ব্যবসার মধ্যে নেই ।

তাহলে চলুন আমরা আলো ছাড়া যে সকল লস ছাড়া ব্যবসা গুলো রয়েছে সে সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দেওয়া যাক । অবশ্যই আপনারা যে ব্যবসায়ী করেন না কেন চেষ্টা করবেন কঠোর পরিশ্রম করে ব্যবসাটি কে পরিচালনা করার । আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম না কঙ্কালের যেকোনো ব্যবসায়ী হোক না কেন সেটার মধ্যে আপনি উন্নতি লাভ করতে পারবেন না । কঠোর পরিশ্রমে বিষয়টা অবশ্যই আপনার মাথা থাকতে হবে ।

লস ছাড়া ব্যবসার আইডিয়া সমূহ :-

লস ছাড়া ব্যবসা আইডিয়া গুলো আমি আপনাদের সাথে এখন আলোচনা করব আপনারা এখান থেকে যে কোন একটি ব্যবসা গুলো নিজের জন্য নির্বাচন করে নিতে পারেন । অবশ্যই আপনারা এমন একটি ব্যবসা নির্বাচন করবেন সেটা আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় ।সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পারেন আমি চেষ্টা করব সকল বিষয়ে সুন্দরভাবে আপনাদেরকে ধারণা দিয়ে দেওয়ার ।

খাবার হোটেল :-

আপনি যে ব্যবসা শুরু করেন না কেন সেই ব্যবসার মধ্যে অবশ্যই ঝুঁকি থাকে । কিন্তু আপনি যদি খাবার হোটেলের দিকে বিবেচনা করেন তাহলে কিন্তু এর মধ্যে তেমন বেশি ঝুঁকি নেই । আপনি চাইলেই কিন্তু খুব সহজে ছোটখাটো একটি খাবার হোটেল দিতে পারেন । আপনি যদি সর্বপ্রথম ছোটখাটো একটি খাবার হোটেল দেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন কি পরিমানে আপনার লস ছাড়া লস ছাড়া ব্যবসা ঠিক হবে ।

একটা বিষয়ে চিন্তা করেন এখনকার সময় কিন্তু ভাজা জিনিস গুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে । এবং ভাজা যেসকল দোকানগুলো রয়েছে সেসকল দোকানের মধ্যে সবসময় ভিড় লেগেই থাকে । এখান থেকে বুঝতে পারতেছেন আপনার যদি খাবার হোটেলের রান্না যদি ভাল হয় তাহলে আপনার হোটেলের মধ্যে অবশ্যই ভালো পরিমাণে কাস্টমার আসবে । চেষ্টা করবেন আপনার কাস্টমারদের মানসম্মত খাবার সাপ্লাই করার ।

আপনার খাবারের মান যত বেশি ভাল হবে আপনার কাস্টমারে তত বেশি বাড়বে । সর্বপ্রথম আপনি ছোট করে শুরু করেন আপনার যদি ভবিষ্যতে মনে হয় না আমি আরো বড় করে শুরু করে ভালো লাভ করতে পারব তাহলে আপনি অবশ্যই সে কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন আপনার কাস্টমারদের যে খাবারটি আপনি পরিবেশন করবেন সেটা যাতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার হয় ।

গ্যাস/সিলিন্ডার এর ব্যবসা :-

আপনি কিন্তু চাইলেই গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন । যেহেতু গ্যাস নষ্ট হওয়ার মতো কোনো বিষয় না বা কোন জিনিস না তাহলে কিন্তু আপনি এই গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন ।আপনাকে সর্বপ্রথম গ্যাস সিলিন্ডারের এর ব্যাপারে ভালোভাবে জ্ঞান থাকতে হবে ।

অবশ্যই আপনি যে বিষয় না জানবেন সে বিষয়ে আপনার কাছে কঠিন হতেই পারে কিন্তু আপনি যদি ভালোভাবে কাজগুলো করেন তাহলে কিন্তু ভালো পরিমাণে একটি রেভিনিউ আপনার উপার্জন হতে পারে ।আপনাকে অবশ্যই গ্যাস সিলিন্ডারে ব্যবসা করার জন্য পূর্বঅভিজ্ঞতা যাদের রয়েছে তাদের কাছ থেকে আপনার অভিজ্ঞতা নিতে হবে । যেহেতু গ্যাস সিলিন্ডারের গ্যাস হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই সেহেতু আপনার লস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম রয়েছে । ঝুঁকি নেই বললেই চলে ।

লস ছাড়া ব্যবসা

ডিলারশিপ নিয়ে ব্যবসা :-

আপনি কিন্তু চাইলেই ডিলারশিপ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন । ডিলারশিপ ব্যবসার মধ্যে ঝুঁকি কিন্তু অনেক কম রয়েছে । আপনি চাইলেই কিন্তু ডিলারশিপ লস ছাড়া ব্যবসা শুরু করতে পারেন । ঝুঁকি যেহেতু কম রয়েছে সেহেতু আপনার অবশ্য একটি ডিলারশিপ এর ব্যবসা শুরু করা উচিত ।

কিন্তু একটি কথা মাথায় রাখবেন । ডিলারশিপ লস ছাড়া ব্যবসা শুরু করার পূর্বে আপনাকে ভালোভাবে রিচার্জ করে নিতে হবে আপনি যে পণ্যগুলো ক্রয় করবেন এবং কোন জায়গায় পণ্য গুলো বিক্রি করবেন এবং কি ধরনের পণ্য বিক্রি করবেন । অর্থাৎ আপনাকে আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে কোন কোম্পানির ডিলারশিপ আপনি নিবেন ।

যে কোম্পানির ডিলারশিপ নিবেন সেটা কি পরিচিত কোম্পানি গুলোর মধ্যে একটি । আপনি যে কোম্পানির ডিলারশিপ নিবেন সে কোম্পানির পণ্য গুলো মান কেমন । আপনি যে কোম্পানির ডিলারশিপ নিবেন সেই কোম্পানির ডিলারশিপ আপনি যে জায়গাতে পণ্য বিক্রি করবেন সেই জায়গাতে অন্য কেউ রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে জানা । এসকল বিষয় যদি আপনি সঠিকভাবে জানতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই ডিলারশিপ ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন । অবশ্যই মনে রাখবেন ডিলারশিপ ব্যবসা বা যে কোন ব্যবসা হোক না কেন আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং স্মার্ট ভাবে কাজগুলো করতে হবে ।

অনলাইন এসইও ব্যবসা :-

অনলাইনে কাজ গুলোর মধ্যে একটি কাজ হল এসইওর কাজ । আপনি কিন্তু চাইলেই এসইও কাজগুলো করতে পারেন । অবশ্যই সর্বপ্রথম আপনাকে শিখতে হবে এসইও এর কাজগুলো কিভাবে করে । এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা খুবই অল্প সময় খুবই কম অর্থের বিনিময়ে আপনাকে এসইও এর কাজ শিখিয়ে থাকে । আপনি চাইলে এমন একটি কোর্স করে এ কাজ শিখতে পারেন ।

অনলাইনের মধ্যে এমন অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেগুলোর মধ্যে আপনি কাজ করে ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে । আপনি চাইলে প্রথমে এর কাজগুলো নিজে একা একা করে এবং পরবর্তীতে কিছু লোক নিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানে শুরু করতে পারেন । এবং সেখানে এর মধ্যে আপনি কিন্তু বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিনের টপ পসিশন নিয়ে কাজ করতে পারবেন । এ লস ছাড়া ব্যবসা করার জন্য আপনার কাছে কিন্তু বেশি পরিমাণ অর্থ না হলে হবে । আপনার শুধুমাত্র এখানে টাইম ইনভেস্ট করতে হবে । যত বেশি টাইম দিয়ে যত কঠোর পরিশ্রম করতে পারেন তবে আপনার জন্য সুফল বয়ে আনবে ।

টিউশনি :-

আপনি চাইলে কিন্তু টিউশনির যে কাজটি রয়েছে সেটিও করতে পারেন । এর জন্য কিন্তু বেশি পরিমাণ এর অর্থ আপনার প্রয়োজন হবে না । আপনাকে শুধুমাত্র টাইম দিয়ে টিউশনি করাতে হবে । টিউশনি কাজ করার জন্য আপনি কিন্তু আপনার নিজের বাড়ি কে ব্যবহার করতে পারেন । আপনার নিজের বাড়ির মধ্যে কোনো একটি রুম নির্বাচন করে সেই রুমের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াতে পারেন ।

সর্বপ্রথম আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সেই বিষয় নিয়ে শুরু করতে পারেন । সে বিষয়ের উপরে একটি কোচিং সেন্টার হলে আপনি একটি মার্কেটিং করবেন । যাতে করে আপনার কাছে ছাত্র – ছাত্রীরা পড়তে আসে । পরবর্তীতে যখন আপনার ভালো একটি নামডাক হয়ে যাবে তখন কিন্তু আপনি চাইলেই শিক্ষক বাড়িয়ে কাজগুলো পরিচালনা করে যেতে পারেন ।

 

ব্লগিং শুরু করুন :-

ব্লগিং শুরু করার মাধ্যমে আপনি কিন্তু ভালো পরিমাণে একটি অর্থ উপার্জন করতে পারেন । ব্লগিং করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম কোন একটি বিষয়বস্তু নির্বাচন করতে হবে । আপনি যে বিষয়ের উপরে বেশি দক্ষ সেই বিষয়ের উপরে যদি কাজ করেন তাহলে কিন্তু খুব সহজেই আপনি ভালো একটি উপার্জন করে নিতে । বর্তমানে এমন অনেক লোক রয়েছে যারা ব্লগিং করেই ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতেছে । ব্লগিং করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম কোন একটি বিষয় নির্বাচন করে সেই বিষয়ের উপরে লেখালেখি করতে হবে ।

আপনার লগের মধ্যে যখন বেশি পরিমাণে ট্রাফিক আসা শুরু করবে তখন আপনি আপনার ব্লগটাকে কোন একটি এড নেটওয়ার্ক দিয়ে মনিটাইজেশন করে নিবেন । এতে করে আপনি কিন্তু বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন এবং পাশাপাশি যদি চান তাহলে কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও কাজ করতে পারে । এ লস ছাড়া ব্যবসাশুরু করার জন্য আপনার কাছে কিন্তু বেশি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে না । আপনি চাইলে খুব কম পরিমাণে অর্থ নিয়ে ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন ।

 

ইউটিউবে কাজ শুরু করুন :-

ইউটিউবিং হচ্ছে এমন একটি কাজ যেটার মাধ্যমে আপনি কিন্তু ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । এই কাজটি আপনি কিন্তু ঘরে বসেও করতে পারবেন । এ কাজের মধ্যে তেমন বেশি অর্থ ক্ষতির সম্ভাবনা নেই । আপনার শুধুমাত্র টাইম ইনভেস্ট হবে । কিন্তু আপনি যদি কিছু কৌশল অবলম্বন করে ইউটিউব চ্যানেলটি শুরু করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব দ্রুত সফলতার দিকে এগিয়ে যাবেন ।

একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে কিন্তু অনেক ভাবে অর্থ উপার্জন করা যায় । অবশ্যই আপনাকে ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে ভালো পরিমাণে ভিজিটর আনতে হবে । আপনার যদি অডিয়েন্স অনেক বেশি থাকে তাহলে কিন্তু আপনি কয়েকটি উপায় মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । আপনাকে অবশ্যই আপনার অডিয়েন্স দের কথা মাথায় রেখে ভালো মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে । যে সকল টিপস গুলো রয়েছে ইউটিউব চ্যানেল ভাইরাল করার জন্য সে সকল টিপস গুলো আপনার অবশ্যই ফলো করবেন ।

 

কনটেন্ট রাইটার :-

কনটেন্ট রাইটিং হচ্ছে এমন একটি পেশা যেখানে আপনি উন্মুক্তভাবে কাজ করতে পারবেন । আপনি চাইলে কনটেন্ট রাইটিং করে নিজে একটি ব্লগ ও ওয়েবসাইট তৈরি করে সেই ব্লক ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন । অথবা আপনি কিন্তু অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে ।

বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে সে সকল ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে কিন্তু আপনি কন্টেন্ট রাইটিং এর সার্ভিস রয়েছে সেটি প্রদান করতে । এখনকার সময় কনটেন্ট রাইটিংয়ের অনেক বেশি ডিমান্ড রয়েছে মার্কেটের মধ্যে । ভালো একজন কনটেন্ট রাইটার প্রতি মাসে কম করে হলেও এক থেকে দুই লাখ টাকা উপার্জন করতে পারে । আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের কনটেন্ট রাইটার হতে হয় ।

কনটেন্ট রাইটিং করার জন্য কিছু কৌশল রয়েছে সে কৌশল অবশ্যই আপনাকে অবলম্বন করতে হবে এবং সেই কৌশল অবলম্বন করে আপনি কন্টাক্ট গুলো লিখতে হবে । আপনি যে বিষয়ে কন্টাক্ট লিখবেন সেই বিষয়ে সর্ব প্রথমে আপনাকে রিসার্চ করে নিতে হবে । এবং পরবর্তীতে বিস্তারিত ভাবে সে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে আপনাকে ।

কনটেন্ট রাইটিংয়ের যে কাজটি রয়েছে এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বা কোন খরচ ছাড়াই আপনি শুরু করতে পারেন । শুধুমাত্র আপনার কাছে যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে এবং পাশাপাশি যদি একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে আপনি কাজটি খুব সহজে শুরু করতে পারবেন । শুধু মাত্র 1000 শব্দের একটি আর্টিকেল লিখে আপনি কিন্তু ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারে । এক সময় দেখা যায় 1000 শব্দ আর্টিকেলের জন্য আপনাকে 500 টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকবে । অবশ্যই কনটেন্ট এর মান অনেক ভালো হতে ।

 

আমাদের শেষ কথা :-

আমরা এ আর্টিকেল এর মধ্যে আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি যেসকল ব্যবসার মধ্যে কোন পরিমাণ লোকসানের সম্ভাবনা নেই সে সম্পর্কে । আপনি কিন্তু চাইলেই এ লস ছাড়াই এ লস ছাড়া ব্যবসা গুলো পরিচালনা করতে পারেন । আশা করি আপনারা সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়েছেন এ জন্য আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । আপনাদের মনে যদি কোন ধরনের প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে জানাতে পারেন আমরা সেই প্রশ্ন বা সেই কথা নিয়ে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলাপ ।

আপনাদের সাথে আবার অন্য কোনদিন অন্য কোন ব্লগ নিয়ে আলোচনা হবে সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *