কিভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করব ?

ব্যবসা ছোট ব্যবসা টাকা ছাড়া ব্যবসা ব্যবসার আইডিয়া অনলাইনে ব্যবসা পার্ট টাইম জব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গ্রামে লাভজনক ব্যবসা সাপ্লাই ব্যবসা ঘরোয়া ব্যবসা লস ছাড়া ব্যবসা দৈনিক আয়ের ব্যবসা ছাত্রদের জন্য ব্যবসা কাপড়ের ব্যবসা ব্যবসায় উদ্যোগ .

কিভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করব ?

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হল এমন একটা জিনিস যেটা আপনি নিজে করে স্বাবলম্বী হতে। পারবেন এবং অনেক বেকারত্বদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন । এখনকার সময় বাংলাদেশের পেক্ষাপটে বেকারত্ব অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে । এর অন্যতম কারণ হচ্ছে সকলেই চাকরি করতে যাচ্ছে কিন্তু ব্যবসা করার পরিকল্পনা নিয়ে তেমন যুবকরা এগিয়ে আসছে না ।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে অনেক বেশী পিছিয়ে আছে । বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষিত লোকের চাকরি অনেক কমে হচ্ছে । সত্যি কথা বলতে এখনকার সময় চাকরির জন্য যতগুলো পোস্ট থাকে এর থেকে বেশি থাকে শিক্ষিত লোক । মনে করেন কোন একটি চাকরির জন্য 20 টি পোস্ট আছে কিন্তু ওই 20 পোষ্টের জন্য 500 জন এপ্লাই করে । এই কারণেই মূলত চাকরি পাওয়া যাচ্ছে না । অতএব এখান থেকে বুঝা যাচ্ছে যে শিক্ষিত অনেক লোক রয়েছে কিন্তু সবাই চাকরির পিছনে যাচ্ছে ।

কিন্তু আপনি যদি শিক্ষিত হয়ে কোন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিতে পারেন তাহলে কিন্তু খুব দ্রুত আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে যাবে ।কোন একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অবশ্যই যথেষ্ট পরিমাণে প্ল্যান এবং কিছু অর্থের প্রয়োজন হয় ।

এমন অনেক ধরনের ব্যবসায় রয়েছে যেগুলো আপনি খুবই অল্প টাকা দিয়ে শুরু করে নিতে পারেন । ব্যবসার জন্য মূলত যেই কয়েকটা বিষয় প্রয়োজন তা হলো আপনার অবশ্যই সঠিক প্লেন থাকতে হবে , আপনি কোন জায়গায় ব্যবসা শুরু করতে চান জায়গা নির্বাচন করতে হবে , আপনার কাছ থেকে অর্থ থাকতে হবে , আপনার কাছে কর্মী থাকতে হবে , আপনার মনোবল অনেক বেশি থাকতে হবে । এমন অনেক কিছুই আপনার ভিতরে থাকতে হবে ।

চাকরি আর ব্যবসার ক্ষেত্রে যদি আপনি পার্থক্য করতে চান তাহলে। কিন্তু ব্যবসার সবার আগেই থাকবে ।ব্যবসা হচ্ছে এমন একটি জিনিস যেটা করে আপনি সম্মান অর্জন করতে পারবেন । অনেক বেকারত্বদের চাকরি দিতে পারবেন । এবং ব্যবসা হল ইসলামের দিক দিয়ে হালার একটি জিনিস । কিন্তু অবশ্যই আপনাকে সে ব্যবসাটি হালালভাবে চালাতে হবে । যে সকল ব্যবসা গুলো হালাল সেগুলো আপনাকে করতে হবে ।তাহলে চলুন এখন আমরা ব্যবসার জন্য কি কি প্রয়োজন কিভাবে ব্যবসা শুরু করা যায় এ ব্যাপারে আলোচনা করি ।

কিভাবে ব্যবসা শুরু করব :-

আপনাকে ব্যবসা শুরু করার জন্য কয়েকটা বিষয় অবশ্যই আগে থেকেই নির্ধারণ করেন নিতে হবে সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা এখন আপনাদের সাথে আলোচনা করব:-

  • সঠিক পরিকল্পনা ।
  • সঠিক পরিমাণে অর্থ ।
  • আপনার ব্যবসার জন্য সঠিক স্থান ।
  • সততা ।
  • কঠোর পরিশ্রম ।
  • কর্মী নির্বাচন ।
  • ধৈর্যশীলতা ।
  • দৃঢ় মনোবল শক্তি ।
  • মার্কেটিং

আমি আপনাদেরকে এখানে যে সকল বিষয়গুলো বলেছি এগুলো নিয়ে আমরা অবশ্যই আপনাদের সাথে আলোচনা করবে এখনই । কিন্তু এরপূর্বে আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি এসকল বিষয় কিন্তু অবশ্যই আপনাদের সর্বপ্রথম জানতে হবে । অবশ্যই গুলো আপনার মাথায় রাখতে হবে এবং এগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আপনার কাজ করতে হবে ।আপনি যদি সত্যিই একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সফলভাবে চালাতে চান ।

সঠিক পরিকল্পনা ।:-

একটি সঠিক পরিকল্পনায় কিন্তু আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে অনেক দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে । এজন্য অবশ্যই আপনাকে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে নিতে হবে কিভাবে আপনার ব্যবসাটি পরিচালনা করবেন সে ব্যাপারে সর্বপ্রথম আপনাকে ধারণা নিতে হবে । আপনাকে জানতে হবে কিভাবে একটি ব্যবসা পরিচালনা করতে হয় ।

আপনি যেই বিষয় নিয়ে ব্যবসা করবেন বা যে বিষয় নিয়ে আপনি বাণিজ্য করতে চান সে ব্যাপারে আগে আপনি সঠিকভাবে জেনে নিতে হবে । আপনার বাণিজ্যের জন্য আপনাকে অবশ্যই নিখুঁত একটি পরিকল্পনা রাখতে হবে ।যাতে করে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী আপনার বাণিজ্য টি আপনি চালাতে পারেন ।যে নিখুঁত পরিকল্পনাটি আপনি করবেন সেই অনুযায়ী কিন্তু আপনার ব্যবসাকে আপনি চালাবেন যাতে করে কোনো সময় আপনার সামনে যে সমস্যাগুলো আসবে সেগুলো সহজেই সমাধান করে নিতে পারেন ।

একটি কথা মনে রাখবেন একটি সঠিক ও একটি নিখুঁত পরিকল্পনায় কিন্তু একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে ।যদি বাণিজ্যিক এর জন্য আপনার সঠিক এবং নিখুঁত পরিকল্পনা না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার সামনে অনেক সমস্যা আসবে এবং সেগুলোর মোকাবেলা আপনি সঠিকভাবে করতে পারবেন না । এ জন্যই মূলত আপনাকে একটি নিখুঁত পরিকল্পনা রাখতে হবে কিভাবে আপনি আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান চালাবেন ।

সঠিক পরিমাণে অর্থ :-

কোন একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করার সময় কিন্তু অবশ্যই আপনার হাতে কিছু পরিমাণে অর্থ থাকতে হবে । যেকোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন হয় ।আপনি যে বিষয় বা যে বস্তু নিয়ে ব্যবসা করবেন সেটার উপরে আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে । আপনি কোন সার্ভিস প্রদান করেন বা আপনি কোন পণ্য বিক্রি করেন । অবশ্যই আপনাকে কিছু অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে ।

আপনি যদি কোন সার্ভিস প্রদান করেন সেই সার্ভিসের জন্য আপনাকে কিছু টুলস ক্রয় করতে হবে অবশ্যই । আর যদি আপনি পন্য নিয়ে ব্যবসা করেন তাহলে কিন্তু অবশ্যই আপনার কাছে কিছু পরিমাণে পণ্য থাকতে হবে । এ জন্যই মূলত আপনার কাছে অর্থ থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ । আপনি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে নিবেন কোন জিনিসের জন্য আপনি কতটা অর্থ বরাদ্দ করবেন ।

সঠিক পরিমাণে অর্থ আপনাকে বরাদ্দ করতে হবে আপনার পণ্য বা ম্যাটেরিয়ালস গুলোর জন্য । এবং কিছু অর্থ আপনার হাতেও রাখতে হবে । যাতে করে কঠোর পরিস্থিতিতে আপনার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না হয়ে যায় । চেষ্টা করবেন যত কম বা যত কম নিয়ে শুরু করা যায় ।আপনি সর্বপ্রথম সেই ব্যবসার ব্যাপারে আইডিয়া থাকতে হবে । যাতে করে কোন স্থান থেকে আপনার সার্ভিসগুলো জন্য যেসকল ম্যাটেরিয়ালস প্রয়োজন হয় সেগুলো পান এবং কোন জায়গা থেকে আপনি সঠিক দামে আপনার পণ্যগুলো পান ।

আপনার ব্যবসার জন্য সঠিক স্থান :-

একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য অবশ্যই সঠিক জায়গা নির্বাচন করা প্রয়োজন । আপনি কিন্তু সকল জায়গায় সকল ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দিতে পারবেন না । আপনাকে স্থান বুঝে এবং স্থান নিয়ে পরিকল্পনা করে আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দিতে হবে । এমন জায়গায় আপনাকে আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দিতে হবে যেখান থেকে আপনার সাপ্লায়ার অনেক সহজে আসতে পারে এবং আপনি যাতে খুব সহজেই মালামালগুলো বহন করতে পারেন ।

স্থান নির্বাচনের সময় আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে । আপনার যে সকল কাস্টমার গুলো থাকবে তারা সহজভাবে আপনার জায়গাটাতে আসতে পারে । আপনাকে এমন জায়গাতে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থান নির্বাচন করতে হবে যাতে করে আপনার প্রতিষ্ঠান আশেপাশেই আপনার ক্রেতাগণ থাকে । এতে করে আপনার পন্য বিক্রির চাহিদা অনেক বেশি থাকবে । একটা কথা প্রবাদ আছে অবশ্যই স্থান-কাল-পাত্র এ বিষয়গুলো ভেবে আপনি যদি কাজ করেন অবশ্যই সেই কাজের উপরে আপনি সফল হতে পারবেন ।

আশা করি আপনি এই সকল বিষয় বিবেচনায় রেখে আপনি একটি সঠিক স্থান আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করে নিয়েছেন । যাতে করে আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটি অনেক সহজে আপনি পরিচালনা করতে পারেন । খুব সহজে যাতে আপনার কাছে আপনার যে সকল ক্রেতাগণ থাকবে তারা আসতে পারে ।

সততা :-

সততা হলো এমন একটি বিষয় যেটা আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে অনেক বেশি দিন পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে পারে । আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যদি আপনি সততা নিয়ে ব্যবসা করেন এবং আপনার যে সকল ক্রেতাগণ থাকবে তাদের সাথে যদি আপনি সততার সাথে ব্যবসা করে যান তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন ।

অবশ্যই সব সময় একটা কথা মনে রাখবেন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য আপনার ক্রেতা হচ্ছে সর্বপ্রথম ।আপনার কাছে যদি সঠিক পরিমাণ এর ক্রেতা না থাকে তাহলে কিন্তু আপনি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না ।তাই অবশ্যই আপনার ক্রেতাদের সাথে আপনার সততা বজায় রেখে ব্যবসা করতে হবে । যাতে করে আপনার ক্রেতারা কোন অংশেই আপনার কাছ থেকে পণ্য নিয়ে বাস সার্ভিস নিয়ে না ক্ষতিগ্রস্ত হয় । এতে করে আপনার কিন্তু ক্রেতাও অনেক বেশি বেড়ে যাবে ।

আপনি যদি আপনার ক্রেতা দেরকে সঠিক সার্ভিস প্রদান করেন এবং সঠিক পণ্য বিক্রি করেন তাহলে কিন্তু সেই ক্রেতা গুণী আপনার কাছ থেকে আরো বেশি পরিমাণে কাস্টমার দিয়ে দেবে আপনাকে ।তাই সর্বপ্রথম আপনাকে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য ক্রেতাদের সাথে সততা দিয়ে বাণিজ্য পরিচালনা করতে হবে ।

কিভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করব

কঠোর পরিশ্রম :-

আপনাকে অবশ্যই আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের উপরে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে । আপনি যদি এমন কোন কাজ করেন যে আপনি কোন একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দিয়েছেন । সেখানে সঠিকভাবে সার্ভিস দিচ্ছেন না এবং সঠিকভাবে পণ্য বিক্রি করছেন না তাহলে কিন্তু আপনি ক্রেতা অনেক কম সময়ে হারিয়ে ফেলবেন ।
আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উপরে অনেক বেশি কঠোর পরিশ্রম করতে হবে । আপনার কাছে যেকোনো সময় ক্রেতাগণ আসতে পারে আপনি কিন্তু সেই সময় আপনার ক্রেতাদেরকে সার্ভিস প্রদান করে থাকবেন । চেষ্টা করবেন যে সময়ে চলুক না কেন আপনি আপনার পে তাদেরকে সঠিক সার্ভিসগুলো প্রদান করার । এতে করে ক্রেতাগণ আপনার উপরে অনেক বেশি সন্তুষ্ট হবে এবং আপনি অনেক দ্রুত আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন ।

শুধুমাত্র ব্যবসায়ী নয় আপনি যে কোন কাজের সময় কিন্তু আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে । আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম না করেন তাহলে কিন্তু আপনি সঠিক ভাবে সফল হতে পারবেন না । আপনি যদি কোন একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দিয়ে শুধু চলাফেরায় করেন তাহলে কিন্তু আপনার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বেশিদিন থাকবে না । এছাড়াও আপনার কম্পিটিটর এনালাইসিস করতে হবে । আপনার ব্যবসার প্রতিদ্বন্দ্বি ব্যবসায়ী গুলো কিভাবে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে সে ব্যাপারে আপনার কিন্তু জ্ঞান থাকতে হবে। প্রতিনিয়ত আপনাকে সেই ব্যাপারে জানতে হবে ।

এছাড়া একজন উদ্যোগে হিসাবে আপনার মাঝে কিন্তু অনেক বেশি স্কিল থাকতে হবে ।আপনাকে আপনার ব্যবসার উপরে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে ।কঠোর পরিশ্রম তো অবশ্যই আপনি করতে হবে ।আপনার ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার সাহস থাকতে হবে ।আপনাকে অনেক বেশি সৃজনশীল হতে হবে ।আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বেশি রাখতে হবে ।এসকল বিষয় কিন্তু আপনাকে অনেক দ্রুত আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে ।

কর্মী নির্বাচন :-

আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য অবশ্যই আপনাকে সঠিক কর্মীগণ কে নির্বাচন করে নিতে হবে । যে সকল কর্মীদের নিয়ে আপনি ব্যবসার প্রথম ভাবে শুরু করতে পারেন । অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন কর্মীদের নেওয়ার যারা আগে এমন ধরনের কাজ করেছে । যাতে করে তারা খুব সহজেই আপনার কাজগুলো আয়ত্ত করে নিতে পারে ।

কর্মীদেরকে অবশ্যই আপনি সবসময় বুঝাতে হবে যাতে করে তারা তাদের মনোবল ঠিক রেখে কাজগুলো করতে পারে । কোন সমস্যা হলে আপনি কিন্তু আপনার কর্মীদের সাথে কথা বলবেন । সব সময় আপনার কর্মীদের উপরে আপনার ভালো একটি নজর থাকতে হবে । আপনার কর্মীদের সাথে আপনাকে সবসময় ভাল আচরণ করতে হবে । একটা কথা মনে রাখবেন অ্যাক্টিভ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে উচ্চতর স্থানে পৌঁছানোর পিছনে কিন্তু কর্মীদেরই অবদান থাকে ।

মনে করেন আপনি ভালো মার্কেটিং করে আপনার কাস্টমার অনেক বেশি করে ফেলেছেন । কিন্তু আপনি আপনার কর্মীদের সাথে সঠিক আচরণ করেন না । তাহলে দেখা যাবে আপনার কর্মীরা কিন্তু সঠিকভাবে প্রোডাকশন করতে পারবে না । তাহলে কিন্তু আপনার যে সকল কাস্টমার থাকবে তাদের পণ্য সঠিক সময় দিতে পারবেন না । এতে করে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুব দ্রুতই শেষের দিকে চলে যাবে । সঠিক আচারণের পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই এমন কর্মীদের নির্বাচন করতে হবে যারা এ কাজগুলো করতে পারে ।

ধৈর্যশীলতা :-

কোন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনার মনোবল অনেক বেশি শক্ত রাখতে হবে ।আপনাকে ধৈর্যশীল হতে হবে । যখন আপনি কোন একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দেওয়ার চিন্তা ধারা করে ফেলবেন তাহলে কিন্তু আপনাকে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। আপনি ব্যাবসা করতেছেন আপনি কিন্তু চাকরি করতেছেন না । চাকরি করলে যেমনটা প্রতি মাসের শেষে আপনি একটা অ্যামাউন্ট আপনার সেলারি হিসেবে পান সেটা কিন্তু আপনার হবে না ।

আপনার পারফেক্ট কোন ইনকাম হবে না আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল থাকতে হবে । একেকসময় ব্যবসার একেক পরিস্থিতি আসবে আপনার সামনে । সেগুলো সামলানোর জন্য আপনার যেমন আত্মবিশ্বাসের প্রয়োজন তেমনি আপনার ধৈর্যশীলতা অনেক বেশি কাজে দেবে । ধৈর্যশীলতা কিন্তু আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক বেশি এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে ।

আপনি কিন্তু এমনটি ভাবলে হবেনা আপনি আজকে ব্যবসা শুরু করেছেন দুইদিন পরে কিন্তু আপনি কোটিপতি বা অনেক টাকার মালিক হয়ে যাবেন। এমনটা মনোভাব নিয়ে আপনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করে উপরের দিকে যেতে পারবেন না । অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য এবং মনোবল শক্ত রাখতে হবে । আপনি ধীরে ধীরে কিন্তু প্ল্যান বাড়াতে হবে এবং ধীরে ধীরে আপনার ইনকাম অনেক বেশি হবে । আপনাকে ধৈর্য ধরে কঠোর পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে ।তাই চেষ্টা করবেন ধৈর্যের সাথে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালানোর । এতে করে কিন্তু আপনি খুব সহজেই আপনার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন ।

দৃঢ় মনোবল শক্তি :-

আপনি যখন কোন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিবে । তখন কিন্তু আপনার সামনে অনেক কঠিন পরিস্থিতি আসবে আপনার সেই সময় মনবল ধরে রাখতে হবে । একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যখন আপনি পরিচালনা করবেন তখন আপনার সামনে কিন্তু লাভ লস এই দুইটি বিষয় তো থাকবেই । ব্যবসা তাকে বলা হয় যার মধ্যে কোন সময় লস এবং কোন সময় লাভ হবে । এই বিষয়ে আপনাকে মানতেই হবে । কোন সময় যদি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কোন ক্ষতি হয় তাহলে কিন্তু আপনার সেই ক্ষতি থেকে শিক্ষা নিয়ে পুনরায় আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনা করতে হবে ।

এখনকার সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে আপনার সামনে দুর্গম পরিস্থিতির সম্মুখীন হবেন । এর প্রধান কারণ হচ্ছে আপনি নতুন করে ব্যবসা শুরু করতেছেন । কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে আপনি যদি পড়েন তাহলে কিন্তু আপনাকে ভেঙে পড়লে হবে না । সেই পরিস্থিতির মধ্যে আপনি কেন করেছেন সেগুলোর বিষয়গুলো আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে । সেই বিষয়গুলো খুঁজে বের করে পুনরায় আপনার প্রতিষ্ঠানটি চালু করবেন । যেই ভুলগুলোর কারণে আপনার সর্বপ্রথম লস হয়েছে সেগুলো উপরে আপনাকে কাজ করতে হবে । এবং শিক্ষা গ্রহণ করে আপনাকে কিন্তু আপনার বাণিজ্যিক এই প্রতিষ্ঠানটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে । এ সকল কাজের জন্যই কিন্তু আপনার মনোবল অনেক বেশি দৃঢ় রাখতে হবে ।

মার্কেটিং :-

একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য কিন্তু মার্কেটিং এমন একটি বিষয় যেটার দ্বারা আপনার কাছে আপনার ক্রেতা গণ আসবে । আপনার ক্রেতাদের আপনি জানাতে পারেন আপনি কোন ধরনের বাণিজ্যিক করতেছেন এবং আপনার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে । একমাত্র সঠিক মার্কেটিংয়ে আপনাকে নিয়ে যেতে পারে আপনার ক্রেতাগণ দের কাছে । এজন্যই আপনাকে সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে হবে আপনার সঠিক কাস্টমার যারা তাদের কাছে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিষয়বস্তু গুলো তুলে ধরতে হবে ।

আমাদের শেষ কথা :-

এই আর্টিকেলের মধ্যে আমরা আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দেওয়ার পূর্বে আপনাকে কোন কোন বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাজ করতে হবে । আশা করি আপনারা সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়েছেন এবং আপনারা বুঝতে পেরেছেন কোন কোন বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনার কাজ করা উচিত ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । যদি কোন প্রশ্ন থাকে আপনাদের তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন । আমরা চেষ্টা করব আপনার কমেন্টের সঠিক উত্তর দেওয়ার । এবং সেই বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করার । অন্য কোনদিন অন্য কোন বিষয় বস্তু নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির । ততদিন পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ হাফেজ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *