বাংলাদেশের ছোট ব্যবসা গুলো

ঘরোয়া ব্যবসা ব্যবসা ছোট ব্যবসা টাকা ছাড়া ব্যবসা ব্যবসার আইডিয়া অনলাইনে ব্যবসা পার্ট টাইম জব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গ্রামে লাভজনক ব্যবসা সাপ্লাই ব্যবসা লস ছাড়া ব্যবসা দৈনিক আয়ের ব্যবসা ছাত্রদের জন্য ব্যবসা কাপড়ের ব্যবসা ব্যবসায় উদ্যোগ

বাংলাদেশের ছোট ব্যবসা গুলো ।

এখনকার সময় বাংলাদেশের মধ্যে কিন্তু অনেক বেশি বেকারত্ব রয়েছে । বেকারত্ব দূর করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ এর কর্মসংস্থান ও নেই । যুবকরা তাই বেকারত্বের জন্য নিজেদের কর্মস্থান নির্ধারণ করতে পারছে না । এই কারণেই মূলত বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক বেশি দুর্বল । অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনীতি কিন্তু তেমন বেশি উদ্যোগ আমি নয় । বাংলাদেশের জনগণ গুলো অনেক বেশি দরিদ্র সীমার মধ্যে রয়েছে ।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমস্যা এবং বেকারত্ব সমস্যা দূর করার জন্য অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে কর্মসংস্থান । আপনি যদি একজন বেকার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কিন্তু চাইলেই আরো বেকারদের নিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান সংগঠন করতে পারেন । আপনি যদি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করেন তাহলে কিন্তু সেখানে অনেক বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হয়ে যাবে । তাই আপনি চাইলে কিন্তু খুব অল্প টাকার বিনিময়ে একটি ছোট ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

বাংলাদেশের মধ্যে ছোট ব্যবসা গুলুর উদ্যোক্তা অনেক বেশি রয়েছে । অনেকে চাচ্ছে গ্রাম অঞ্চলের দিকে নিজেদের ছোট করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করার । এ কারণে আমরা আজকে ছোট ব্যবসা গুলো কিভাবে পরিচালনা করতে হয় বা ছোট ব্যবসা গুলো কিভাবে শুরু করতে হয় কোথা থেকে আপনি ছোট বাণিজ্য শুরু করবেন সে ব্যাপারে আমরা আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব ।

গ্রামে বা বাংলাদেশে যে সকল ছোট ব্যবসা করেছে :-

এখনকার সময়ে ছোট ব্যবসা গুলো করার জন্য আপনার কিন্তু বেশি অর্থের প্রয়োজন হয়না আপনি যদি যথার্থ একটি পরিকল্পনা থাকে তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজ একটি ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের করতে পারেন করে নিতে পারেন । এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দেওয়ার জন্য কিন্তু আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণ এর রিচার্জ করতে হবে ।

আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে আপনার জন্য কোন ব্যবসাটি সুইটেবল হবে । আপনার গ্রামের মধ্যে বা আপনি যে জায়গাতে ব্যবসাটি চালু করবেন সেই জায়গাতে কোন জিনিসের প্রয়োজন । অবশ্যই আপনি যদি এই সকল বিষয় নিয়ে কাজ করেন তাহলে অনেক দ্রুতই আপনার ব্যবসা অনেক দূর এগিয়ে যাবে ।তাই চলুন আজকে আমরা যে সকল ছোট ব্যবসা গুলো রয়েছে সেগুলো নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা করি এবং আপনাদেরকে একটি ধারনা দেয়ার চেষ্টা করি কোন কোন ছোট ব্যবসা গুলো আপনারা আপনাদের গ্রামের জন্য করতে পারেন ।

  • বিকাশের ব্যবসা 
  • ফার্মেসির ব্যবসা
  • মোবাইল ফোনের ব্যবসা
  • মোবাইল এক্সেসরিজ এর ব্যবসা
  • কসমেটিক ব্যবসা
  • গিফট পণ্য ব্যবসা
  • কম্পিউটার ব্যবসা
  • অনলাইন সার্ভিস

এই সকল বিষয় নিয়ে আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব । এ সকল ব্যবসা গুলো আপনারা কিভাবে সহজেই আপনাদের নিজস্ব শহরের মধ্যে পরিচালনা করতে পারেন । এবং কোন কোন বিষয় বিবেচনায় রেখে আপনারা এ ব্যবসা গুলো পরিচালনা করবেন । কিভাবে আপনারা এসকল ব্যবসাগুলো পরিচালনা করবেন ।এসকল ব্যপারে আমরা আপনাদের সাথে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব এখন ।

 

বিকাশের ব্যবসা :-

বিকাশের ব্যবসা এখনকার সময় সবচেয়ে লাভজনক একটি ব্যবসা এবং কম পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করা যায় । এ ব্যবসার জন্য আপনার তেমন বেশি খরচ হবে না আপনার শুধুমাত্র ছোটখাটো একটি দোকান হলেই চলবে । এটা সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি শহরতলী এমন একটি জায়গার মধ্যে দিতে পারেন ।

এখনকার সময় বিকাশের ব্যবসা সবচেয়ে বেশি লাভজনক হয়ে উঠছে । আপনি চাইলে বিকাশের সাথে কিন্তু ফ্লেক্সিলোড । এবং অন্যান্য যেসকল অনলাইন ট্রানজেকশন গুলো রয়েছে সেগুলো নিয়েও কাজ করতে পারেন । বর্তমানে এখনকার সময় বিকাশের যে ব্যবসা গুলো রয়েছে সেগুলো অনেক বেশি লাভজনক ।আপনি চাইলে পার্ট টাইম হিসেবে কাজগুলো করতে পারেন । কিন্তু বিকাশ ব্যবসার জন্য আপনার হাতে অবশ্যই 7000 টাকা থাকতে হবে ।

আপনি যদি চান বিকাশের ব্যবসা দিবেন তাহলে কিন্তু আপনাকে একটি এজেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে এবং কিছু নিয়ম রয়েছে সে নিয়মগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত ফলো করতে হবে । আমি শুধুমাত্র কয়েকটি নিয়ম বলে দিচ্ছি আপনাদের কে ।যেগুলো আপনাদের প্রয়োজন হবে ।

আপনার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স ,আপনার বিকাশে সিম ,জাহান্নামের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স হবে তার তিন কপি ছবি ,যার নামে বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট টি খোলা হবে তার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ,আপনার দোকানের সিলমোহর থাকাটা আবশ্যক ।

এই সকল কাগজপত্র যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে কিন্তু আপনি বিকাশের ব্যবসা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন । এবং বিকাশের ব্যবসা শুরু করার জন্য তাদের কোম্পানি থেকে কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয় সেসকল ব্যাপারে আপনাদের কে কিছু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করি ।

সর্বনিম্ন আপনাকে প্রতিদিন 2000 টাকা ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট করতে হবে ,আপনার একাউন্টের মধ্যে সর্বনিম্ন 7 হাজার টাকা থাকতে হবে ।সবচেয়ে বেশি ভালো হয় আপনি যদি প্রতিদিন দুই একটা বিকাশ একাউন্ট খুলে দিতে পারেন আপনার কাস্টমারদের তাহলে কিন্তু আপনার টার্গেট গুলো অনেক সহজেই পূরণ হয়ে যাবে । অবশ্যই আপনি যদি এই শর্তগুলো পূরণ করেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই বিকাশের ব্যবসা গুলো চালু করতে পারেন ।

ফার্মেসির ব্যবসা :-

এখনকার সময়ে ফার্মেসি ব্যবসা হল সবচেয়ে লাভজনক একটি ব্যবসা । নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য মধ্যে হল ওষুধ বিষয়টি । প্রতিনিয়তই কিন্তু আমাদের ওষুধ প্রয়োজন হচ্ছে । এ কারণেই মূলত ফার্মেসির ব্যবসাটি অনেক বেশি পপুলার । এবং প্রতিনিয়ত আমাদের এ ব্যবসার গ্রাহক বেড়েই চলেছে । এটি শুরু করতে তেমন বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না । আপনি চাইলে খুব সহজেই এবং খুব অল্প পরিমাণ এর অর্থ দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন আপনার গ্রাম অঞ্চলের দিকে ।

এটি করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম যদি চান তাহলে একটি দোকানের প্রয়োজন হবে । আর নয়তোবা আপনি কিন্তু অনলাইনের মধ্যেও এই ব্যবসাটি চালিয়ে নিতে পারেন । অনেক সময় দেখা যায় গ্রাম্য এলাকার মধ্যে সকল ওষুধ পাওয়া যায় না ।সব সময় সকল ওষুধ স্টকে থাকেনা । আপনি কিন্তু ফার্মেসি বারবিসা দিয়ে খুব দ্রুত আপনার সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে পারেন ।

এটা করার জন্য আপনাকে করতে হবে সর্বপ্রথম একটি অনলাইন স্টোর বা অফলাইন স্টোর খুলতে হবে এবং যে কেউ অর্ডার দেওয়ার সাথে সাথে আপনি তার কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ঔষধ বা মেডিকেল পণ্যগুলো পৌঁছে দিতে পারেন ।এটা অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এখন ।অনেকেই কিন্তু এ ব্যবসা করে যাচ্ছে অনেকদিন যাবত ধরে । এটা করলে কিন্তু আপনি লং টাইম এর জন্য করতে পারবেন এবং আপনার ভবিষ্যতে বিষয়ের উপর করে নিতে পারবেন । ফার্মেসি দিক দিয়ে মানুষের যেরকম চাহিদা এখনো রয়েছে ভবিষ্যতে এর থেকেও বেশি বাড়বে ।

মোবাইল ফোনের ব্যবসা :-

বর্তমানে সকলেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে এবং প্রতিনিয়ত তারা নতুন নতুন মোবাইল ফোন ক্রয় করে থাকে । অনেকেই আছে তাদের সেকেনাল মোবাইল গুলো বিক্রি করতেছে । আপনি চাইলে কিন্তু সেই মোবাইলগুলো ক্রয় করে bikroy ।com বা ফেসবুক এর মাধ্যমে সে মোবাইল ফোন গুলো বিক্রি করে ভালো পরিমাণে একটি অর্থ উপার্জন করতে পারেন ।

প্রতিদিনই কিন্তু নতুন নতুন মডেলের মোবাইল ফোন গুলো বাজারে আসছে । এই কারণেই মূলত কিছু লোক নিজেদের মোবাইল গুলো বিক্রি করে নতুন মডেলের মোবাইল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে । সেই ফোন গুলো খুবই অল্প দামে বিক্রি করে দেয় । আপনি সেই মোবাইল খুবই কম দামে ক্রয় করে পরবর্তীতে bikroy ।com বা facebook ।com এর মধ্যে পোস্ট করে আপনার কাছে থাকা সেকেন্ডহ্যান্ড মোবাইলটি বিক্রি করে দিতে পারেন । এ ব্যবসাতে মোটামুটি লাভ ভালোই আসে ।এ ব্যবসার জন্য আপনার হাতে খুবই অল্প পরিমাণ টাকা থাকলে হয় । এটাতে আপনার কিন্তু কষ্ট অনেক কম হবে ।

কিন্তু হ্যাঁ আপনাকে রেগুলার মোবাইল ফোন এই সকল বিষয়ের আপডেট জানতে হবে । বিভিন্ন দোকান থেকে আপনাকে জেনে নিতে হবে কোন মোবাইলের প্রাইস কেমন রয়েছে । এই সকল বিষয় সম্পর্কে আপনার সব সময় খোঁজখবর রাখতে হবে । এ ব্যবসাটি আপনার 10 হাজার থেকে 20 হাজার টাকা নিয়ে শুরু করতে পারেন সর্বোচ্চ । এমন ফোনের ক্রেতাও অনেক বেশি রয়েছে আপনি একবার শুধু bikroy ।com এ ভিজিট করে দেখতে পারেন ।

মোবাইল এক্সেসরিজ এর ব্যবসা :-

এখনকার সময় যেহেতু সবার হাতেই মোবাইল ফোন রয়েছে সেতু প্রতিনিয়ত এ মোবাইল ফোনের এক্সোসরিজ এর প্রয়োজন হয় । এর ডিমান্ড কিন্তু প্রতিদিনই বাড়ছে । যেমন মোবাইল ফোনটি নিত্যদিনের ব্যবহারযোগ্য হয়ে একটি যন্ত্র । প্রতিদিনই কিন্তু এই মোবাইল ফোনটি নষ্ট হচ্ছে এবং ঠিক করানো প্রয়োজন হচ্ছে ।আপনি কিন্তু চাইলেই এরকম একটি সেবা প্রদান করতে পারেন আপনার গ্রাম এলাকার মধ্যে ।
এটি করার জন্য আপনাকে শুধুমাত্র একটি কোর্স করার প্রয়োজন হবে । বা আপনি এমন কারো দোকানে থেকে মোবাইলে কিভাবে সার্ভিসিং করতে হয় এ বিষয়টা শিখে নিতে পারেন । মোবাইল সার্ভিসিং এর পাশাপাশি কিন্তু আপনি চাইলে মোবাইলে যে সকল এক্সেসরিজ গুলো রয়েছে সেগুলো বিক্রি করতে পারেন । এসকল এক্সেসরিজ এর মধ্যে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে লাভ রয়েছে ।

আপনাকে সর্বপ্রথম জানতে হবে কোন জায়গা থেকে আপনি পণ্যগুলো ক্রয় করলে অনেক কম দামে ক্রয় করতে পারবে । এবং আপনাকে জানতে হবে বর্তমান সময় কোন ধরনের মোবাইল ফোন গুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহারযোগ্য । সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় । সে সকল মোবাইলের অ্যাক্সেসরিজ দিয়ে আপনি কিন্তু শুরু করতে পারেন আপনার ছোট্র একটি ব্যবসা । এর জন্য আপনাকে অবশ্যই স্থান নির্বাচন করতে হবে । এবং কিছু পরিমাণের আপনার কাছে অর্থ থাকতে হবে ।

বাংলাদেশের ছোট ব্যবসা গুলো

কসমেটিক ব্যবসা :-

বর্তমান সময়ে কিন্তু কসমেটিক ব্যবসা অনেক জমজমাট ভাবে চলতে । প্রতিনিয়তই কিন্তু মেয়েদের সাজুগুজু করার জন্য যে সকল কসমেটিক গুলো প্রয়োজন হয় সেগুলো অনেক বেশী দামে বিক্রি করা হয় । আপনি চাইলে কিন্তু এরকম কসমেটিকের একটি দোকান দিতে পারেন এবং প্রতিনিয়তই সেখান থেকে আপনি লাভ আয় করতে পারবেন ।

আপনার অবশ্যই সর্বপ্রথম আইডিয়া থাকতে হবে কোন বিষয় নিয়ে মেয়েদের বেশি আকাঙ্ক্ষা । কোন ধরনের কসমেটিক গুলোও মেয়েদের নিত্য প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয় । যদিও আমি জানি না আমার কোন গার্লফ্রেন্ড নেই কোন ধরনের কসমেটিক গুলোও মেয়েদের বেশি পছন্দ । এই কারণে আমি আপনাদেরকে বলতে পারতেছি না । একটু মজা করলাম । কিন্তু অবশ্যই আপনাদের জানতে হবে কোন ধরনের কসমেটিক গুলো প্রতিদিনই মেয়েদের প্রয়োজন হয়ে পড়ে ।

আপনি যদি ভালোভাবে রিসার্চ করে কসমেটিকের ব্যবসাগুলো করেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজে এবং খুব দ্রুত লাভবান হবে যাবেন ।এর জন্য আপনাকে কিন্তু অবশ্যই শহরতলী এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে ।যাতে করে সেখানে মানুষজনের যাতায়াত বেশি থাকে ।এতে করে আপনি কিন্তু অনেক বেশি কাস্টমার পাবেন ।এবং আপনার কিন্তু একটা পরিস্থিতি লাভ হবে ।

গিফট পণ্য ব্যবসা :-

মানুষের কিন্তু আনকমন জিনিস যেগুলো রয়েছে বা আনকমন যে সকল পণ্য রয়েছে সেগুলোর উপরে বেশি আকর্ষিত হয় । আপনি চাইলে যে সকল বিষয়গুলো বা যেসকল পণ্য গুলো আনকমন সেগুলো নিয়ে কিন্তু একটি গিফটের দোকান তৈরি করতে পারেন । আপনাকে অবশ্যই এমন একটি জায়গা নির্বাচন করতে হবে যে জায়গাতে মানুষজনের আনাগোনা অনেক বেশি হয় ।

এতে করে কারো চোখে যদি আপনার কোন একটি পণ্য পড়ে তাহলে কিন্তু শেষ এই পণ্যটি নেওয়ার অনেক বেশি সম্ভাবনা থাকে । তাই চেষ্টা করবেন এমন কিছু পণ্য আপনার দোকানের মধ্যে রাখার যেগুলো দেখতে সুন্দর এবং আনকমন দেখায় । এ ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে আপনার বেশি পরিমাণ এর মূলধনের প্রয়োজন হবে না । এ সকল ধরনের পণ্য গুলো আপনি কিন্তু অনেক কম দামে ক্রয় করতে পারেন ।

অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে কোন জায়গা থেকেই সকল পণ্য গুলো ক্রয় করতে হয় এবং কম মূল্যে ক্রয় করা যায় । এমনও দেখা যাবে আপনি প্রতিটি পণ্যের উপরে পণ্যের যে দাম রয়েছে তার দ্বিগুণ দামে আপনি বিক্রি করতে পারবেন । অবশ্যই আপনি এই সকল বিষয় নিয়ে রিসার্চ করতে হবে ।সঠিক ভাবে যদি আপনি সার্চ করেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই কোথা থেকে পণ্য ক্রয় করতে হবে কোন কোন পণ্য গুলো আপনার দোকানের মধ্যে কাস্টমারদের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে এ সকল বিষয়গুলো আপনি খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন ।

কম্পিউটার ব্যবসা : –

কম্পিউটারের ব্যবসা এখনকার সময় সবচেয়ে ভালো মানের একটি ব্যবসা । আপনি চাইলে কিন্তু খুব অল্প খরচের মধ্যে কম্পিউটার ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন ।এর জন্য অবশ্যই আপনাদের এলাকা নির্বাচন করতে হবে যাতে করে ।খুব সহজে আপনার কাস্টমার গুলো আপনি পেতে পারেন । যেহেতু আপনি মূলধন অনেক কম নিয়ে আপনার ব্যবসাটি শুরু করবেন সে তো আপনাকে সর্ব প্রথম কম্পিউটারের যে সকল এক্সোসরিজ গুলো রয়েছে সেগুলো নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে ।

যেমন মনে করেন কম্পিউটারের জন্য প্রতিনিয়ত কিবোর্ড মাউস এর প্রয়োজন হয় । এই সকল জিনিসগুলো আপনি আপনার দোকানের মধ্যে তুলতে পারেন । বিভিন্ন ধরনের SSD কার্ড তুলতে পারেন । বিভিন্ন ধরনের HSD এসকল বিষয় জাতীয় জিনিসগুলো আপনি আপনার দোকানের মধ্যে রাখতে পারেন ।

এখনকার সময় কিন্তু সেকেন্ড হ্যান্ড কম্পিউটারের চাহিদা অনেক বেশি রয়েছে । আপনি কম মূল্যে চাইলে সেকেন্ড হ্যান্ড কম্পিউটার গুলো বা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ গুলো আপনার দোকানের মধ্যে রাখতে পারেন । অবশ্যই আপনাকে এ বিষয়গুলো মার্কেটিং করতে হবে । আপনি চাইলে কিছু গরিব পরিবারের সন্তানদের কম দামে কিছু ল্যাপটপ দিয়ে দিতে পারেন । এতে করে আপনার দোকানের একটা মার্কেটিং হয়ে যাবে । অবশ্যই আপনাকে মার্কেটিং এর উপরে একটু বেশি নজরদারি রাখতে হবে ।

অনলাইন সার্ভিস :-

অনলাইন সার্ভিস গুলো বলতে আমি বুঝাচ্ছি অনলাইন ভিত্তিক যে সকল কোর্স গুলো রয়েছে সেগুলো আপনি করাতে পারেন । আপনি একটি ট্রেনিং সেন্টার তৈরি করে নিতে পারেন । গ্রাম্য এলাকার মধ্যে কিন্তু প্রতিদিনই এমন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যারা আসে কম্পিউটারের কাজ গুলো শিখার জন্য । আপনি কিন্তু চাইলেই একটি ট্রেনিং সেন্টার তৈরি করে সেখানে এর মধ্যে আপনি ট্রেনিং দিতে পারেন ।

এতে করে কিন্তু আপনি আপনার এলাকার মধ্যে অনলাইন সার্ভিসগুলো প্রোভাইড করতে পারেন । এতে করে কিন্তু আপনি সমাজের যে বেকারত্ব গুলো রয়েছে সেটা পূরণ করে দিতে পারেন ।আপনার এখান থেকে যদি কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারে তাহলে কিন্তু সেই লাইনের কাজ করবে । অবশ্যই সেই বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনি তাকে দক্ষ একজন ফ্রিল্যান্সার গড়ে তুলতে পারেন ।

এর জন্য তেমন বেশি ইনভেস্ট এর প্রয়োজন হয় না আপনাকে সর্বপ্রথম কিছু ল্যাপটপ ক্রয় করতে হবে এবং একটি ট্রেনিং সেন্টার খোলার জন্য আপনাকে পারফেক্ট একটি স্থান নির্বাচন করতে হবে । যে জায়গাতে অবশ্যই আপনার ছাত্র-ছাত্রীগণ আসতে অনেক সুবিধা হয় ।

অবশ্যই আপনার একটি অফিসের প্রয়োজন হবে ।সে অফিসটা অবশ্যই আপনি শহরতলী এলাকার মধ্যে রাখতে হবে ।যাতে করে আপনার মার্কেটিং করা অনেক সুবিধা হয় ।পাশাপাশি আপনি চাইলে কম্পিউটারের যে সকল অ্যাক্সেসরিজ গুলো রয়েছে সেগুলো বিক্রি করতে পারেন । এবং কম্পিউটারে যে সকল সার্ভিস গুলো রয়েছে সেগুলো আপনি প্রদান করতে পারেন ।

আর্টিকেল ভিত্তিক মন্তব্য :-

আমি আপনাদেরকে এই আর্টিকেলের মধ্যে বলেছি কিভাবে ছোট ব্যবসা গুলো প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন । ব্যবসা একটি দেওয়া তো অনেক সহজ কিন্তু আপনাকে অবশ্যই Hard-working করতে হবে । কঠোর পরিশ্রম ছাড়া আপনি কিন্তু সফল হতে পারবেন না । তাই চেষ্টা করবেন যেভাবে হোক আপনি কঠোর পরিশ্রম করার । আপনার যে কাজগুলো থাকবে সেগুলো স্মার্ট ভাবে করার । আপনার বুদ্ধিমত্তা কিন্তু আপনার ব্যবসায়ীকে অনেক বেশি এগিয়ে নিয়ে যাবে ।

আপনাকে অবশ্যই আপনার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে এবং আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালানোর ইচ্ছা শক্তি থাকতে হবে । আপনার অবশ্যই যোজ্য থাকতে হবে যাতে করে আপনি অনেক কঠোর পরিস্থিতিতেও শক্ত থাকতে পারেন । আপনার মনোবল শক্ত রাখতে হবে আপনাকে । দৃঢ় মনোবল অতা নিয়ে আপনার ব্যবসায় নামতে হবে । অবশ্য এ বিষয়গুলো আপনার মাথায় রাখা উচিত ।

আমাদের শেষ কথা :-

আমি আপনাদেরকে এখানে কয়েকটি ব্যবসা করার আইডিয়া দিয়েছি ।আশা করি আপনারা সম্পন্ন আর্টিকেলটি করেছেন এবং আপনারা যথাযথ ভাবে বুঝতে পেরেছেন কিভাবে ছোট ব্যবসা গুলো করা যায় । কোন কোন ছোট ব্যবসা গুলো রয়েছে । এসকল সম্পর্কে আপনারা অবগত হয়েছেন । যদি আপনাদের মনে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কি করবেন । আমরা চেষ্টা করব আপনাদের প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দেওয়ার । সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আজকের জন্য এখানেই বিদায় নিলাম । ধন্যবাদ সবাইকে ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *