পার্ট টাইম জব

ঘরোয়া ব্যবসা ব্যবসা ছোট ব্যবসা টাকা ছাড়া ব্যবসা ব্যবসার আইডিয়া অনলাইনে ব্যবসা পার্ট টাইম জব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গ্রামে লাভজনক ব্যবসা সাপ্লাই ব্যবসা লস ছাড়া ব্যবসা দৈনিক আয়ের ব্যবসা ছাত্রদের জন্য ব্যবসা কাপড়ের ব্যবসা ব্যবসায় উদ্যোগ

পার্ট টাইম জব

আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন স্টুডেন্ট তাদের পার্ট টাইম একটি জবের অনেক বেশি প্রয়োজন । এর প্রধান কারণ হল আপনি যদি পড়ালেখার পাশাপাশি একটি পার্ট টাইম জব করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার পড়ালেখা যে খরচ টা হয় সেটা কিন্তু খুব সহজেই তুলে নিতে পারেন । এবং আপনার হাত খরচের যে টাকাগুলো প্রয়োজন সেগুলো কিন্তু আপনি একটি পার্ট টাইম জব করে খুব সহজেই নিতে পারেন । এতে করে আপনার পড়াশোনার উপরে কিন্তু বেশি পরিমাণ এর ইফেক্ট পড়বে না । আপনি কিন্তু খুব সহজেই আপনার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন পাশাপাশি ওই চাকরি দিয়ে পড়ে নিতে পারবে ।

আজকে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করব পার্টটাইম জবের হিসেবে কোন কোন চাকরি গুলো আপনার বেছে নিতে পারেন। যেগুলো করলে আপনাদের ভবিষ্যতের জন্য উপকারে আসবে এবং কি আপনাদের পড়ালেখার পাশাপাশি করলে আপনাদের ভালো পরিমাণে একটি আর্নিং হবে । এবং আপনাদের পড়ালেখার তেমন কোন ক্ষতি সম্মুখীন হবেন না । আমি একজন স্টুডেন্ট এ কারণে আমি নিজেও এ সমস্যার সম্মুখীন পড়েছি । যার যে জিনিস প্রয়োজন সে বুঝেছে সেই জিনিস এর কতটুক মূল্য।

আপনি যদি আপনার চারো দিকে একটু ভাল করে দেখেন তাহলে কিন্তু বুঝতে পারবেন অনেক চাকরি রয়েছে যেগুলো আপনি আপনার পড়ালেখার পাশাপাশি করে ভালো একটি উপার্জন করতে । শুধুমাত্র আপনাদের জানা প্রয়োজন কোন কোন বিষয়গুলো আপনারা করতে পারবেন আপনাদের পড়ালেখার পাশাপাশি তাতে করে আপনাদের পড়ালেখার কোন পরিমাণ ক্ষতি হবে না । তাই চলুন আজকে আমরা পার্ট টাইম জব এর কিছু আইডিয়া নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা করি ।

পার্ট টাইম জব

ফ্রিল্যান্সিং করা :-

আপনারা কিন্তু আপনাদের পড়ালেখার পাশাপাশি পার্টটাইম জব হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন । কিছু অর্থের বিনিময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্রিল্যান্সিং যে সকল কোড গুলো রয়েছে সেগুলো আপনারা শিখে নিতে পারেন । ফ্রিল্যান্সিং এর কোর্সগুলো আপনারা করে কিন্তু ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করতে পারবে । এর জন্য কিন্তু আপনাকে কোনো একটি কোম্পানিতে যেতে হবে না । এই কাজটি কিন্তু আপনি পার্ট টাইম জব হিসেবেও করতে পারে ।

আপনি যদি চান কোন অর্থে বিনিময় শিখবেন না তাহলে কিন্তু অনলাইনে মধ্যে এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো দেখে আপনি ফিনান্সিং এর কাজ গুলো শিখে নিতে পারেন । ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে কিন্তু অনেকগুলো কাজ রয়েছে তার মধ্যে আপনাকে বেছে নিতে হবে কোন কাজটি আপনার জন্য সহজ হবে এবং আপনি সে কাজটি করে ভবিষ্যতেও কোনো কিছু করতে পার । এজন্য অবশ্যই অনলাইনের মধ্যে ভালোভাবে রিসার্চ করতে হবে আপনাকে । আমি একটি ভাল বুদ্ধি আপনাদেরকে বলে দিই । আপনারা সর্বপ্রথম মার্কেটপ্লেসে যাবেন এবং সেখানে দেখবেন কোন কাজ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় । সেই কাজটি কিন্তু আপনারা করতে ।

ইউটিউব :-

আপনি যদি চান আপনার পড়ালেখার পাশাপাশি একটি পার্টটাইম চাকরি করবেন তাহলে কিন্তু ইউটিউব হতে পারে আপনার জন্য অনেক ভালো একটি প্রফেশন । এমন অনেক রয়েছে যারা ইউটিউব এর মধ্যে ভিডিও তৈরি করে প্রতিনিয়ত ভালো পরিমাণে একটি অর্থ উপার্জন করে যাচ্ছে । আপনি কিন্তু চাইলে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে সেই ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে ভিডিও তৈরি করতে পারেন । এবং সেই সকল ভিডিও থেকে আপনার ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন হবে ।

আপনাকে সর্বপ্রথম কোন বিষয় নিয়ে ইউটিউবিং করবেন সেটা নির্বাচন করে নিতে হবে । এবং সেই বিষয় সম্পর্কে আপনাকে কিন্তু ভালোভাবে রিচার্জ করে নিতে হয় । প্রতিনিয়ত ইউটিউব এর মধ্যে আপনাকে ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং ভিডিও কে আপনি মনিটাইজেশন করতে হবে গুগল এডসেন্স দ্বারা । গুগল এডসেন্স হচ্ছে গুগলের একটি সার্ভিস সেখানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ইউটিউবারদের ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে উপার্জন করার একটি মাধ্যম হিসেবে করে দিয়েছে । এডসেন্স কিন্তু অনেক কাজে ব্যবহার করা ।

ব্লগিং করা :-

আপনি চাইলে কিন্তু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে ওয়েবসাইটের মধ্যে ব্লগিং করতে । বর্তমানে এটি অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠে । আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং সে ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আর্টিকেল লিখবেন যাতে করে মানুষের উপকার হয় । এটি এখন অনেক বেশি প্রচলিত একটি বিষয় । ব্লগিং এখন যেমন অনেক বেশি প্রচলন রয়েছে ভবিষ্যতে আরো অনেক বেশি প্রচলন হবে । আপনি এটিকে লংটাইম হিসেবে চিন্তা করে নিতে পারেন । ব্লগিং থেকে আপনি কিন্তু ভালো পরিমাণে একটি অর্থ উপার্জন করতে পার । একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট থাকলে কিন্তু আপনি সে ওয়েবসাইট থেকে অনেক ধরনের ইনকাম করতে পারবেন । ব্লগিং থেকে উপার্জন করার অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে যেগুলো আপনি ব্যবহার করে উপার্জন করতে পারবেন ।

আপনাকে শুধুমাত্র ব্লগিং করার জন্য বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আর্টিকেল লিখতে হবে। এমন ভাবে আপনাকে আর্টিকেলগুলো লিখতে হবে যাতে করে একজন পাঠক সঠিকভাবে সে আর্টিকেল টা পড়তে পারে । এবং সে আর্টিকেল থেকে একজন পাঠকের যে বিষয়গুলো প্রয়োজন সেগুলো যাতে সে খুঁজে পায় এবং জানতে পারে । এ সকল বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনি যদি একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে কিন্তু আপনার অর্থ উপার্জনের একটি মাধ্যম হয়ে । এ বিষয়টা কিন্তু আপনি অনেক কম টাইম দিয়া করতে পারবেন এবং অনেক ভালো একটি উপার্জন আপনার হবে ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা :-

এখনকার সময় কিন্তু অনেক বেশি রয়েছে যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে । ছাত্রজীবনে কিন্তু আপনি এখনকার সময় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন যেটা অনেক বেশি প্রচলন রয়েছে । অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনি কোন একটি প্রতিষ্ঠান পণ্যগুলো নিজে মার্কেটিং করে বা নিজের ব্লগ ওয়েবসাইটের মধ্যে সেই বিষয় সম্পর্কে লেখা-লেখি করে তার ক্রয় করার লিংকটি দিয়ে দিবেন । সেখান থেকে যদি কোন ব্যক্তি সে পণ্যটি ক্রয় করে তাহলে কিন্তু আপনি সেই পণ্য বিক্রয়কৃত অংশ থেকে একটি শতাংশ পাবেন । কিছু পরিমাণ এর লাভের অংশ আপনাকে দেওয়া হবে ।

এভাবে যদি আপনি অ্যাপলেট মার্কেটিং করেন তাহলে কিন্তু ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করা যায় । এরমধ্যে কিন্তু আপনাকে তেমন বেশি টাইম দেওয়ার প্রয়োজন হবে না প্রতিদিন যদি তিন চার ঘন্টা করে আপনি টাইম দেন তাহলে কিন্তু অনেক বেশি হয়ে যায় । আপনি সাপ্তাহিক যদি 2 – 1 দিন টাইম দেন তাহলে কিন্তু আপনার জন্য ভালো একটি সুফল বয়ে আনবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং । তাই চেষ্টা করবেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য । এবং সঠিকভাবে যাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন এর জন্য আপনাকে অনলাইনের মধ্যে রিচার্জ করতে হবে । অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর চাহিদা এখন যতটা রয়েছে এর থেকে অনেক গুন বেড়ে যাবে ভবিষ্যতে । আপনি কিন্তু চাইলে লংটাইম হিসেবে চিন্তাধারা করতে পারেন ।

প্রাইভেট টিচার :-

আপনি আপনার পড়ালেখার পাশাপাশি চাইলেই প্রাইভেট টিউটরের যে সার্ভিসটি রয়েছে সেটি প্রদান করতে পারবেন । এখন বর্তমানে অনলাইন এর মধ্যেই প্রাইভেট টিউটরের যে সার্ভিস গুলো রয়েছে সেগুলো দেওয়া হয়ে থাকে । আপনি খুব সহজেই অনলাইনের মধ্যে একটি ওয়েবসাইটের ধারা বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে তাদের সাথে সংযুক্ত হয়ে প্রাইভেট টিচার যেই সার্ভিসটি রয়েছে সেটি দিতে পারেন ।
এতে করে আপনার কিন্তু জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি বেড়ে যাবে এবং আপনার ভবিষ্যতে যে চাকরি করতে চান সে চাকরির জন্য আপনি ভাল ভাবে প্রিপারেশন নিতে পারবেন ।

আপনাকে অবশ্যই অনলাইনের মধ্যে রিচার্জ করে নিতে হবে কোন কোম্পানির ভালো পরিমাণের রেভিনিউ আপনাকে দিবে । কোন কোম্পানির আন্ডারে আপনি যদি প্রাইভেট টিউটর হিসেবে কাজ করেন তাহলে আপনাকে ভাল পড়ে মানের একটি অর্থ তারা দিবে । এই সকল বিষয় যদি খোঁজাখুঁজি করেন তাহলে কিন্তু আপনি অনেক সহজেই পেয়ে যাবেন । এটা অনেক বেশি প্রচলিত একটি পেশা । আপনি যেহেতু পড়ালেখা করতেছেন তার পাশাপাশি যদি প্রাইভেট টিউটর হিসেবে কাজ করেন তাহলে কিন্তু আপনার মেধা অনেক বেশি বেড়ে যাবে । আপনি কিন্তু নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। এ কারণেই মূলত আপনি চেষ্টা করবেন যাতে একটি প্রাইভেট টিউটর কোম্পানি কে খুজে পান । একটু চোখ কান খোলা রেখে যদি খোঁজাখুঁজি করেন তাহলে কিন্তু খুব সহজে খুঁজে পাবেন ।

ফটোগ্রাফি করা :-

আপনি চাইলে কিন্তু ফটোগ্রাফি করতে পারেন । পড়ালেখার পাশাপাশি ফটোগ্রাফি করে বিভিন্ন ফটোগুলো আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মধ্যে বিক্রি করে দিতে পারে । অবশ্যই আপনাকে সুন্দর একটি ছবি তুলতে হবে । যত সুন্দর আপনার ছবি ততই বেশি দামে আপনি আপনার তুলা ছবিটি বিক্রি করতে পারবেন । অবশ্যই আপনাকে ছবির মধ্যে একটি ইমোশন রেখে ছবিগুলো তুলতে হবে যাতে করে কারো একজনের চোখ আপনার ছবির মধ্যে দেখামাত্র আটকে যায় ।

এমন অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে যারা ফটোগ্রাফি করে তাদের পড়ালেখার যে খরচ গুলো রয়েছে সেখান থেকেই তারা এ খরচ গুলো তুলে নিতে পারে । এ কারণেই মূলত চেষ্টা করবেন এমনভাবে আপনার কাজগুলো করার যাতে সবাই আপনার কাজের প্রতি সুনাম জনক কথা বলে । এর জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ডিএসএলআর ক্যামেরার প্রয়োজন হবে । আপনি ভালো ভাবে ছবি তুলতে পারলে কিন্তু আপনি অনেক ইভেন্টের ওয়ার্ড পাবেন ।

এখনকার সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কিন্তু প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার দের ইনভাইট করা হয় । আপনি শুধুমাত্র সেখানে গিয়ে ফটো শুট করে দেবেন । এর জন্যই কিন্তু আপনাকে ভালো পরিমাণের একটি অর্থ দেওয়া হবে । এই কারণে চেষ্টা করবেন আপনি যেই ছবিগুলো তুলবেন সেগুলো যাতে প্রফেশনাল দেখা যায় । আপনি যদি ভাল পরিমাণের ছবি তুলতে পারেন এবং ভালো পরিমাণের একটি ফটোগ্রাফার হয়ে উঠতে পারেন তাহলে কিন্তু বিভিন্ন কোম্পানি থেকে আপনি কাজের ওয়াডার পাবেন । এবং সেই সকল কাজগুলো করে আপনি কিন্তু প্রতি মাসে 30-40 হাজার টাকার থেকেও বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

পার্ট টাইম জব করার জন্য আপনার যেসকল অভিজ্ঞতা হবে :-

আপনি যদি পার্ট টাইম জব করেন তাহলে কিন্তু আপনার অনেক বেশি অভিজ্ঞতা হবে আপনার চাকরির ক্ষেত্রে একটি ভালো অপরচুনিটি আপনি পাবেন । যদি পার্টটাইম চাকরি এগুলো করেন তাহলে কিন্তু আপনার কমিউনিকেশন দক্ষতা অনেক বেশি বেড়ে যাবে । তাই চেষ্টা করবেন এমন ভাবে আপনি আপনার কাজগুলো করার যাতে করে আপনার দক্ষতা অনেক বেশি বেড়ে যায় । আপনার আইডিয়া হবে কাজের প্রতি । যেসকল দক্ষতা আপনার উন্নতি হবে তা হল :-

1 । আপনার নিজের দক্ষতা বাড়বে ।
2 । নিজের পরিচিতি বাড়বে
3। নতুন নতুন মানুষের সাথে কথা বলার জন্য আপনার কিন্তু কমিউনিকেশন দক্ষতা বেড়ে যাবে ।
4। নিজেকে কাজের উপরে ব্যস্ত রাখতে পারবে ।
5। আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস টা অনেক বেশি বেড়ে যাবে ।
6। আপনার কাছে কিন্তু নতুন নতুন কিছু সুযোগ তৈরি হবে ।
7। আপনি বুঝতে পারবেন আপনার জন্য কোন কাজটি সবচেয়ে সঠিক কাজ ।
8। নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে আপনার জ্ঞান অর্জন ।
9 । সময় এর যে গুরুত্ব টা রয়েছে সেটি আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন ।
10। অবশ্যই আপনার ইনকাম অনেক বেশি বেড়ে যাবে এবং আপনি ইনকাম করতে পারবেন আপনার পড়ালেখার জন্য ।

এই সকল বিষয়ে বাদেও কিন্তু আপনি আরো যে সকল বিষয় গুলো রয়েছে সেগুলো জানতে পারবেন বিভিন্ন নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে আপনার আইডিয়া হবে । শুধুমাত্র যে অর্থের জন্য আপনি কাজটা করবেন তা কিন্তু । আপনি কিন্তু এখান থেকে কাজ শুরু করলে আপনার ভবিষ্যতের জন্য অনেক বেশি সুবিধা হয় । তাই চেষ্টা করবেন পড়ালেখার পাশাপাশি একটি পার্টটাইম চাকরি খুঁজে নেওয়ার । চাকরি করতে এ মনটা যাতে না হয় আপনার চাকরির জন্য পড়ালেখার কোন ধরনের ক্ষতি যাতে না হয় এই বিষয়টা আপনি অবশ্যই মাথা রেখে কাজগুলো করবেন ।

আমাদের শেষ কথা :-

আমরা আজকে আমাদের আর্টিকেল এর মধ্যে আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি পার্ট টাইম জব হিসেবে কোন কোন চাকরি গুলো আপনারা করতে পারেন । এবং পার্ট-টাইম চাকরি করলে আপনাদের কি কি উপকারে আসবে । এই সম্পূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি আশা করি আপনারা সম্পন্ন আর্টিকেলটি পড়েছেন এবং সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত হয়েছেন ।

আপনাদের মনে যদি কোন প্রশ্ন থাকে আর্টিকেল সম্পর্কে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে জানাতে পারেন অবশ্যই আমরা সেই প্রশ্ন সম্পর্কে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো । চেষ্টা করব আপনাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার। সম্পন্ন আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । আজকের জন্য এখানেই বিদায় নিলাম । অন্য কোনদিন অন্য কোন সময় আপনাদের সামনে হাজির হব অন্য অন্য কোন আর্টিকেলে নিয়ে । সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *