টাকা ছাড়া ব্যবসা

ঘরোয়া ব্যবসা ব্যবসা ছোট ব্যবসা টাকা ছাড়া ব্যবসা ব্যবসার আইডিয়া অনলাইনে ব্যবসা পার্ট টাইম জব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গ্রামে লাভজনক ব্যবসা সাপ্লাই ব্যবসা লস ছাড়া ব্যবসা দৈনিক আয়ের ব্যবসা ছাত্রদের জন্য ব্যবসা কাপড়ের ব্যবসা ব্যবসায় উদ্যোগ

টাকা ছাড়া ব্যবসা

অনেক আশ্চর্যজনক কথা হলো এটা সত্য যে আপনি টাকা ছাড়া ব্যবসা শুরু করতে পারেন । ব্যবসা শুরু করার জন্য সবসময় টাকার প্রয়োজন হয় না কিন্তু আপনার হাতে যদি টাকা থাকে তাহলে অবশ্যই আত্মার ব্যবসার দিকে অনেক বেশি সুবিধা হবে আপনার জন্য । টাকা ছাড়া ব্যবসা করার জন্য আপনাকে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে । সর্বশেষ সবারই একটা স্বপ্ন থাকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্টান দেওয়ার । ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দিয়েছে ভালো টাকা উপার্জন করা যায় এটা যেমন সত্য তেমনি আপনি একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দিলে আপনার একটি সম্মান বাড়বে ।

ব্যবসা করাটা কিন্তু সহজ কিন্তু ব্যবসাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে । আপনি চাইলে যেকোন ব্যবসায়ী দিতে পারেন কিন্তু সে ব্যবসা দেওয়ার জন্য এবং সে ব্যবসাকে উপরে নেওয়ার জন্য যেসকল কাজগুলো করতে হয় সেগুলো আপনার মাঝে থাকতে হবে । কঠোর পরিশ্রমের মনোবল । অর্থ যোগান । এসকল বিষয় আপনাকে কিন্তু ভাবতে হবে । ব্যবসা শুরু করতে তেমন অর্থ প্রয়োজন হয় না কিন্তু আপনি যদি কোন সময় অর্থের জন্য একেবারে কোন কিছু না করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনাকে আগে থেকে এমন একটি পত্র রাখতে হবে যেখান থেকে আপনি টাকা পাবেন ।
টাকার জন্য একটি ভালো পরিকল্পনা আপনার প্রয়োজন ।

কি ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনার কাছে কিন্তু অর্থ না থাকলেও খুব সহজে আপনি ব্যবসা-বাণিজ্য গুরু শুরু করতে পারেন । কিন্তু আপনার সবার প্রথমে প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম এর মনোবল তৈরি করা ।অর্থাৎ আপনি যাতে হতাশ না হয়ে যান এই বিষয়ে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে ।আপনি কিন্তু 1-2 দিনের মধ্যে ব্যবসা করে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন না ।আপনাকে ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করতে হবে । আপনি ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে পারবেন একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে ।

টাকা ছাড়া ব্যবসা

টাকা ছাড়া ব্যবসা করার জন্য আপনার যে সকল বিষয়গুলো প্রয়োজন :-

আমি যেমনটি বলেছি টাকা ছাড়া ব্যবসা করার সম্পর্কে প্রক্রিয়া আমরা আপনাদের বলবো । কিন্তু অবশ্যই আপনার কাছে যদি কিছু পরিমাণে টাকা থাকে তাহলে আপনার ব্যবসা করার জন্য অনেক বেশি সুবিধা হবে । যদি না টাকা থাকে তাহলে আত্মীয়স্বজন বা এমন কোনো একটি মাধ্যম রাখতে হবে যেখান থেকে আপনি টাকা পাবেন ।

চাকরি করা :-

আপনি চাইলে কিন্তু ব্যবসার পাশাপাশি আপনি চাকরি করতে পারেন । এতে করে আপনার যেমন অভিজ্ঞতা বাড়বে । সেরকম আপনার টাকা ছাড়া ব্যবসা উপরে মনোবল তৈরি হবে । এবং আপনার ব্যবসা টি ও আপনি পরিচালনা করতে পারবেন ।

আপনাকে সর্বপ্রথম একটি চাকরিতে জয়েন হতে হবে যেটা আপনার ব্যবসা রিলেটেড রয়েছে । যেহেতু আপনার কাছে অর্থ নেই সেজন্য আপনি কিন্তু চাকরি করে চাকরির অর্থ গুলো খুব সহজেই আপনার ব্যবসার উপরে লাগাতে পারেন । মনে রাখবেন আপনার ফ্যামিলি যদি আপনার চাকরির অর্থের উপরে নির্ভর থাকে তাহলে কিন্তু আপনাকে সম্পূর্ণ অর্থ ব্যবসার মধ্যে লাগাতে পারবেন না ।

তাই চেষ্টা করবেন এমন পরিমাণে ব্যবসার মধ্যে অর্থ লাগানোর যাতে করে আপনি পরবর্তী সময়ে নিজস্ব ঠিক ভাবে থাকতে পারেন ।যেহেতু আপনি চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা এটি পরিচালনা করেন যে তো আপনাকে এমন কোম্পানির মধ্যে যেতে হবে বা এমন কোম্পানিতে চাকরি করতে হবে যেখান থেকে আপনি যেকোন সময় বের হতে পারবেন । মনে করেন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এমন পর্যায়ে চলে গেছে যেখানে আরো লোকের প্রয়োজন হয় আপনি চেষ্টা করবেন আপনার চাকরি ছেড়ে এসে ব্যবসাতে মনোনিবেশ করার ।

চাকরিতে জয়েন করার পূর্বে আপনাকে অবশ্যই কোনরকম এগ্রিমেন্ট করা যাবে না যে এতদিন আমি চাকরি করব । এর প্রধান কারণ হচ্ছে আপনাকে যেকোন সময় চাকরি ছেড়ে দিয়ে আপনার ব্যবসার উপরের মনোনিবেশ করতে হতে পারে ।তাই এমন চাকরি আপনি জয়েন করবেন যেখান থেকে আপনি খুব সহজেই রিজাইন দিয়ে নিজের ব্যবসার উপরে মনোনিবেশ করতে পারেন ।

ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিকল্পনা :-

আপনার ব্যবসার জন্য আপনার সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজন । একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে অবশ্যই আপনার পরিকল্পনা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন । এই কারণে আপনার একটি সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজন ।

আপনার ব্যবসা পরিকল্পনার মধ্যে আপনাকে রাখতে হবে কোথায় থেকে অর্থের যোগান দেওয়া যায় । কোথায় থেকে আপনি পণ্যগুলো ক্রয় করবেন এবং বাজারজাত করবেন অনেক কম মূল্যে । পণ্যগুলোর বর্তমান বাজারদর কেমন রয়েছে । আপনি পণ্যগুলো যদি ক্রয় করে আনেন তাহলে কি বাজারের থেকে কম মূল্যে আপনি আপনার ক্রেতাদেরকে ভালো পণ্য দিতে পারবেন কিনা । এসকল বিষয় যদি আপনি সঠিকভাবে রিসার্চ করেন তাহলে কিন্তু আপনার ব্যবসা অনেক দ্রুত অগ্রসর হতে থাকবে ।

আপনার ব্যবসার প্রতিযোগীদের রিচার্জ করুন :-

আপনার ব্যবসাকে সঠিকভাবে জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্যবসার প্রতিদ্বন্দী যারা রয়েছে তাদের কে রিচার্জ করতে হবে । আপনার ব্যবসার যেসকল প্রতিদ্বন্দ্বি রয়েছে তাদেরকে আপনার জানতে হবে তারা কিভাবে তাদের ব্যবসা এটি পরিচালনা করে এবং কিভাবে কোথায় থেকে পণ্যগুলো ক্রয় করে আনে এবং পণ্যগুলোর দাম কেমন রাখে এ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে ।

আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা যেসকল পণ্যগুলো যে দামে বিক্রি করে আপনি কি সেই সকল পণ্য গুলো আরো কম দামে আরো ভালো মানের পণ্য আপনার কাস্টমারদের কাছে তুলে ধরতে পারবে কিনা এটা নিশ্চিত আপনার জানা থাকা দরকার । আপনি যদি ভাল মানের পণ্য গুলো কম দামে আপনার গ্রাহকদের হাতে তুলে দেন তাহলে কিন্তু আপনার ভালো যদি অনেক দ্রুত এগিয়ে যেতে থাকবে । এজন্যই কিন্তু আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীকে সঠিকভাবে রিসার্চ করতে হবে ।

কম খরচে কর্মী :-

আপনাকে অবশ্যই নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য কম পরিমাণ এর অর্থ ব্যয় করতে হবে । আপনি যত কম পরিমাণে অর্থ ব্যয় করবেন ততই আপনার ব্যবসার জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে । চেষ্টা করবেন যে সকল কাজগুলো আপনি কর্মী দিয়ে করানোর প্রয়োজন সেগুলো প্রথমে নিজে করার চেষ্টা করবেন পরে যদি আপনার দ্বারা একান্ত না হয় বা কর্মীর প্রয়োজন হয় একান্তই তাহলে কিন্তু আপনি কম খরচে ভিতর কর্মীদের নিয়োগ দিতে পারেন ।

আপনি চেষ্টা করবেন কিভাবে কম পরিমাণ এর অর্থ দিয়ে ভালো একটি সেবা পাওয়া যায় কর্মীদের কাছ থেকে । যেসকল জায়গাতে আপনার একটু বেশি পরিমাণ এর খরচে প্রয়োজন সেখানে কম পরিমাণে খরচ করার চেষ্টা করবেন ।আপনার কাছে যে অর্থগুলো থাকবে সে গুলোকে মোটামুটি ভাবে গুছিয়ে রাখবেন এবং পরিকল্পনা সাজিয়ে রাখবেন কিভাবে অর্থ বিনিয়োগ করা হবে ।

নিজের বাসা কাজে লাগানো :-

আমরা যেহেতু আপনাকে বলেছি ব্যবসা করার জন্য টাকার প্রয়োজন হয় না সে ক্ষেত্রে আপনার কিন্তু যত কম পরিমাণে অর্থ খরচ করে ব্যবসা করা যায় সেটাই চিন্তাধারা করা উচিত । যেমন মনে করেন আপনি কোন পণ্য নিয়ে ব্যবসা করতেছেন সেই পণ্য রাখার জন্য একটি দোকানের প্রয়োজন আপনি কিন্তু সেই দোকানটি না রেখে আপনি আপনার বাসার মধ্যে কিন্তু পণ্যগুলো রাখতে পারেন ।

আপনি যদি পণ্য বিক্রি করে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার চেয়ে রুমটি রয়েছে সেই রুমের মধ্যে সুন্দরভাবে আপনার পণ্যগুলো সাজিয়ে রাখতে পারেন । আর যদি আপনি পণ্য অনলাইনে বিক্রি করেন তাহলে কিন্তু আপনি পণ্যের জন্য যেসকল ছবিগুলো প্রয়োজন সেগুলো আপনার রুমের একপাশ থেকে তুলতে পারবেন । আপনার ভাষাকে আপনার ব্যবসার জন্য ব্যবহার করতে পারেন যাতে করে আপনার পণ্যগুলো রাখার জন্য যে অর্থ প্রদান করতে হয় সেই অর্থটা না খরচ হয় আপনার ।

বুদ্ধিমত্তা :-

টাকা ছাড়া ব্যবসা আপনার ব্যবসার জন্য কিন্তু আপনি প্রতিনিয়ত হয় নতুন নতুন রিচার্জ করতে হবে । আপনার ব্যবসাকে আরো কোন কোন ভাবে উন্নতির দিকে নেওয়া যায় সে ব্যাপারে আপনার কিন্তু ছোটখাটো রিসার্চগুলো করে নিতে হবে । যেমন মনে করেন আপনি একটি দোকান দিবেন তার পূর্বে আপনাকে সেই জায়গাতে যে ধরনের দোকান দিবেন সে ধরনের ছোট একটি দোকান দিয়ে আপনি দেখতে পারেন ।আপনি দেখতে পারেন সে ধরনের দোকানগুলো সে সকল জায়গায় কেমন চলে এখন বর্তমানে আপনি কি তাদের থেকে ভালোভাবে আপনার দোকান চালাতে পারবেন কিনা এই মন মানসিকতা রাখতে হবে ।

আপনাকে ব্যবসা বন্ধে অবশ্যই বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ দিতে হবে বিভিন্ন নতুন নতুন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট হবে সেগুলো আপনাকে করতে হবে । নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে আপনার ব্যবসার জন্য ।বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আপনার বিভিন্ন বিষয়গুলো দেখে আপনার নিজের মত করে চিন্তা করতে হবে ।ধরতে গেলে মোটামুটি আপনাকে কিন্তু ব্যবসার মধ্যে মেধাভিত্তিক বুঝাতে হবে ।

আত্মীয়-স্বজন :-

যেহেতু আপনি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালাবেন সেহেতু আপনার কাছে অবশ্যই কিছু টাকা থাকা আবশ্যক । এজন্য আপনাকে কিন্তু সব রুতম অন্য জায়গা থেকে টাকা না নিয়ে চেষ্টা করবেন আপনার পরিবারের মধ্যে যে সকল সদস্য গুলো রয়েছে তাদের কাছ থেকে কিছু পরিমাণে অর্থ নেওয়ার ।

আপনি যদি আপনার পরিবারের কোন জায়গা থেকে কিছু পরিমাণে অর্থায়ন তাহলে কিন্তু আপনার একটা কাজের চাপে রয়েছে সেটি অনেকটা কমে যাবে ।আপনাকে প্রত্যেক মাসের একটি চিন্তা রাখতে হবে না যে আপনি এত টাকা অবশ্যই টার্গেট নিয়ে কাজ করব । যেহেতু ব্যবসাটি স্বাধীনভাবে করা যায় এবং আপনি ধীরে ধীরে আপনার ব্যবসাটিকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন সে তো আপনাকে অবশ্যই টাকার একটি যোগান রাখতে হবে । যাতে সেই টাকা দেওয়ার জন্য বেশি দুশ্চিন্তা আপনার মাথা রাখতে না হয় । এ কারণে অবশ্যই আপনি কিন্তু চাইলে আপনার আত্মীয় স্বজনদেরকে সব সময় আপনার লিস্টে মধ্যে রাখতে পারেন । চেষ্টা করবেন যেভাবে হোক যে ভাবেই বুঝিয়ে হোক আপনি তাদের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার ।

স্বল্প পরিমাণে লোন নেওয়া :-

আপনি যখন আপনার পরিবারের কাছ থেকে বা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে অর্থ সাহায্য না পাবেন তা হল কিন্তু আপনাকে অবশ্যই ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার পরিকল্পনা করতে হবে ।আপনাকে খুঁজতে হবে এমন ধরনের ব্যাংকিং লোন যেখানে আপনার কম পরিমাণে সুদ দেওয়া থাকে । ।

যেহেতু আপনি নতুন ব্যবসা শুরু করতেছেন আপনি বেজ্জতি বেশি পরিমাণ এর সুদে লোন নেন ।তাহলে কিন্তু আপনি অনেক বড় একটি খারাপ অবস্থায় পড়ে যাবেন ।দেখা যাবে আপনি সেই সুদ দিয়ে আপনার কাছে আর তেমন কোনো পরিমাণে অর্থ থাকছেন না । এই কারণে অবশ্যই চেষ্টা করবেন যে ব্যাংকের মধ্যে থেকে আপনি কম সুদে লোন নিতে পারবেন সেই ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার ।

ব্যবসার প্রচার :-

যে কোন ব্যবসা শুরুর পূর্বে আপনাকে অবশ্যই সেই ব্যবসার সম্পর্কে প্রচার করতে হবে যাতে করে সকলে আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানতে পারে । আপনার ব্যবসাকে নিয়ে আপনাকে ছোট যদি হয় তাহলে ছোট পরিমাণে মার্কেটিং করতে হবে । আপনার যদি সামর্থ্য হয় তাহলে আপনি লিফলেট বিতরণ করতে পারেন । কিন্তু আপনার যদি অনলাইন সার্ভিস এর মধ্যে কোন ব্যবসা হয়ে থাকে বা আপনার পণ্যগুলো অনলাইনের মধ্যে বিক্রি করতে পারেন এমন হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই অন্যান্যের মধ্যে আপনি মার্কেটিং করবেন ।

অনলাইনের মধ্যে কিন্তু আপনি অনেক কম খরচের মধ্যে অনেক বেশি পপুলার হতে পারবেন । এবং অনলাইনে যেহেতু সব ধরনের লোকের হয়েছে আপনার পণ্য অবশ্যই বিক্রি হবে তাই চেষ্টা করবেন আপনার ব্যবসাকে অনলাইন ভিত্তিক করে তোলা । অনলাইনের মধ্যে যদি আপনার ব্যবসাটি থাকে তাহলে কিন্তু প্রচার করা এবং বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যাবে আপনার পণ্যগুলো অনেক সহজে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং অনেক সহজে অনেক পণ্য বিক্রি হয়ে যাবে । এতে করে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচিতি বাড়বে ।

আর্টিকেল সম্পর্কে মন্তব্য :-

টাকা ছাড়া ব্যবসা আমরা এখানে আপনাদেরকে বলেছি কিভাবে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালু করা যায় সম্পূর্ণভাবে বিনা অর্থে । আপনাদেরকে এখানে বোঝানোর চেষ্টা করেছি আপনাদের কাছে অর্থ না থেকে আপনারা অন্য জায়গা থেকে কিভাবে অর্থ কালেক্ট করবেন এবং কোন জায়গা থেকে আপনার অর্থ কালেক্ট করতে পারেন এবং কোন জায়গাতে আপনারা ইনভেস্ট করবেন ব্যবসার ক্ষেত্রে সকল ব্যবসা স্ট্যাটেজি একই ধরনের থাকে । সেই প্রেক্ষাপটে আমরা আপনাদেরকে বলেছি কিভাবে আপনারা একটি ব্যবসাকে সম্পন্ন বিনা টাকায় শুরু করা যায় । যদি আপনার হাতে টাকা থাকে তাহলে অবশ্যই অনেক বেশি ভালো হবে ।

আমাদের শেষ কথা :-

টাকা ছাড়া ব্যবসা আমরা আর্টিকেল এর মধ্যে যে সকল বিষয়গুলো লিখেছি সেগুলো অবশ্যই আপনি পড়েছেন । এবং আশা করি আপনারা সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পেরেছেন আপনাদের কি করা প্রয়োজন । সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারে ।তখন আমরা সেই বিষয় নিয়ে অবশ্যই বিস্তারিত আলোচনা কর । আজকের জন্য এখানেই বিদায় নিলাম অন্য কোনদিন অন্য কোন আর্টিকেল নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব ইনশাআল্লাহ । আল্লাহ হাফেজ ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *